About Us

Tuesday, September 30, 2025

ফিরে দেখা: ডামি নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনে যুবনেতা মোখলেছ

ডামি নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে মাদারগঞ্জ যুবদলের গণসংযোগ-


২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর, রোববার—

জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি। এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোখলেসুর রহমান।


দেশব্যাপী ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন ও ডামি নির্বাচন বর্জনের আহ্বানকে সমর্থন জানাতে মাদারগঞ্জের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যুবদল কর্মীরা সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একতরফা নির্বাচন প্রতিরোধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।




মোখলেসুর রহমান বলেন,

“বাংলাদেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়, ন্যায়ভিত্তিক গণতন্ত্র চায়। তাই ডামি নির্বাচন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যুবদল জনগণের পাশে থেকে শেষ পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাবে।”


লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এলাকাজুড়ে যুবদলের এই কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।



উপসংহার

মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদলের এই কার্যক্রম স্পষ্ট করেছে যে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ডামি নির্বাচন প্রতিহত করতে এবং অসহযোগ আন্দোলনকে সফল করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাদের এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

Monday, September 15, 2025

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান: পুনর্গঠনের স্থপতি ও কূটনৈতিক দূরদর্শী

বাংলাদেশের ইতিহাসে রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান শুধু একজন সাহসী সেনাপতি নন, তিনি ছিলেন একজন কূটনৈতিক দূরদর্শী এবং পুনর্গঠনের স্থপতি। ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে যখন দেশ রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক ধ্বংসস্তূপ এবং জনগণের হতাশায় ডুবে যাচ্ছিল—তখনই তিনি দৃঢ়ভাবে দেশের হাল ধরেন।

কূটনৈতিক বিচক্ষণতা

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অসামান্য। তিনি পূর্ব ও পশ্চিমা শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেন। উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক। এর ফলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক কূটনীতির মানচিত্রে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়।

দেশ পুনর্গঠন

১৯৭৫-এর পরে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে তিনি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন। কৃষিতে স্বনির্ভরতা, শিল্পখাতে উত্থান, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা—সবকিছুই তার সময়কালের সাফল্য। বিশেষ করে "আমার গ্রাম—আমার শহর" কর্মসূচি মানুষের কাছে উন্নয়নকে সহজলভ্য করে তোলে।

শান্তি ফিরিয়ে আনা

দেশের মানুষ যখন হতাশা ও ভয়-আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিল, তখন জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে দেন। জনগণ নতুন করে আশা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে তাকে গ্রহণ করে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।


📸 সংযুক্ত ছবিটি প্রমাণ করে—রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান কেবল অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও একজন মর্যাদাবান কূটনীতিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।


👉 পাঠকের কাছে প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন আজকের বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানের কূটনৈতিক মডেল অনুসরণ করলে বৈশ্বিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়া সম্ভব? 

Friday, September 12, 2025

জামায়াত-শিবিরের ১৯৭১ এর ভূমিকায় AI কি বলে দেখুন

 

জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা: বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে তারা কার পক্ষে ছিল?

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল এ দেশের মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি সেনারা যখন অপারেশন সার্চলাইট চালিয়ে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে, তখন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা মুক্তির জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু সবাই এই মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন দেয়নি। স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল একটি রাজনৈতিক শক্তি—জামায়াতে ইসলামি এবং তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির


স্বাধীনতার বিরোধিতা

জামায়াতে ইসলামি শুরু থেকেই পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের আন্দোলনকে “বিদ্রোহ” বলে আখ্যা দেয় এবং দাবি করে যে, এটি ভারতের ষড়যন্ত্রে পাকিস্তান ভাঙার চেষ্টা। ফলে মুক্তিকামী জনগণের সঙ্গে না দাঁড়িয়ে তারা প্রকাশ্যে পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ নেয়।

পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগী বাহিনী গঠন

জামায়াতের নেতারা পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতায় কুখ্যাত রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনী গঠন করে। এ বাহিনীগুলো মূলত মুক্তিকামী মানুষদের ওপর দমন-পীড়ন চালাতো। মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দেওয়া, গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া, নিরপরাধ মানুষ হত্যা—এসব ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ।

মানবতাবিরোধী অপরাধ

সবচেয়ে ঘৃণিত ভূমিকা ছিল আলবদর বাহিনীর, যেখানে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর—যুদ্ধের শেষ প্রান্তে—তারা পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। দেশের শীর্ষ শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ অনেককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করে দেওয়া।

যুদ্ধাপরাধের বিচার

স্বাধীনতার পরে এসব অপরাধের জন্য জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারে প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগী হয়ে গণহত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নিসংযোগসহ অসংখ্য মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। অনেকে ইতোমধ্যেই মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা পেয়েছে।

উপসংহার

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে জামায়াত-শিবিরের ভূমিকা এক কালো অধ্যায়। যখন গোটা জাতি মুক্তির জন্য রক্ত দিচ্ছিল, তখন তারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে হত্যাযজ্ঞে অংশ নেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার এ ভূমিকা আজও জাতি স্মরণ করে ঘৃণার সঙ্গে।

Twitter Delicious Facebook Digg Favorites More